পাবনায় সড়কে বালির ব্যবসা: দুর্ঘটনায় দুই কিশোরের করুণ মৃত্যু

বার্তা সংস্থা পিপ (পাবনা) : পাবনা শহরের মুজাহিদ ক্লাব এলাকায় সড়ক বিভাগের জায়গা অবৈধ দখল করে চেগার দিয়ে ঘেরাও করে মাটি ইট বালির জমজমাট ব্যবসা করছে কতিপয় দুর্বৃত্ত। সড়কের জায়গার উপর ইট ও বালি রাখার কারণে এর আগে দুঘটনায় দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। 

এ ছাড়া প্রতিদিনই ঘটছে কোন না কোন দুর্ঘটনা। এ ছাড়া আশপাশের বাড়ীতে বালির ধুলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অবৈধ দখলদাররা অবৈধ অস্ত্র ধারী ও সন্ত্রাসী হয়োর কারণে তাদের বিরুদ্ধে ভয়ে এলাকার কেউ কথা বলতে সাহস পায়না। এদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় এলাকার মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।  

এক লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, পাবনা শহরের মুজাহিদ ক্লাব সংলগ্ন ৫ নং ওয়ার্ডের শিবরামপুর মৌজায় সাবেক দাগ নং ৩০৮ বর্তমানে আরএস ৭৪২-৭৪৪ মোট ৬৬ শতাংশ জমির মধ্যে ৩০ শতাংশ জমি জমি ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৫৩ সালে ওর্ডারভুক্ত হয়ে ১৯৫৪ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সম্পত্তি হিসেবে গেজেটভুক্ত হয়। বাকী ৩৬ শতাংশ জমি বিক্রি করা হয়েছে। 

এই জমি সড়ক বিভাগের কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে ঐ এলাকার চিহিৃত ব্যাক্তি হযরত আলী, বাচ্চু ও শফিকুর রহমান শফিক ভুয়া দলিল পত্র তৈরি করে অবৈধভাবে জায়গা দখল করে বাশের চেগার দিয়ে ঘেরাও করে জনৈক আব্দুর রহমানে কাছে মাসিক ২০ হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছে। হযরত আলী, বাচ্চু ও শফিকুর রহমান শফিক ও আব্দুর রহমানে এখানে ইট মাটি ও বালি রেখে ব্যবসা করছে।

মুজাহিদ ক্লাব এলাকার খালেকুজ্জামান  জানান, সড়কের জায়গার উপর ইট ও বালি রাখার কারণে এর আগে দুঘটনায় মানু চেয়ারম্যানের ছেলেসহ দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিদিনই ঘটছে কোন না কোন দুর্ঘটনা। 

একই এলাকার হোসাইন হোসেন জানান, প্রতিদিন রাত ১০টার পর বড় বড় বালি এবং মাটির ট্রাক আসে। ঐ খানে মাটি রাখে। এতে আশপাশের বাড়ীতে বালির ধুলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, অবৈধ দখলদাররা অবৈধ অস্ত্র ধারী ও সন্ত্রাসী হয়োর কারণে তাদের বিরুদ্ধে ভয়ে এলাকার কেউ কথা বলতে সাহস পায়না। এলাকাবাসী আরও জানান, এই জায়গার উপর সরকারি সাইনে বোর্ড টানানো থাকলেও তা কেউ তোয়াক্কা করছে না।  

এ ব্যাপারে পাবনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম শামসুজ্জোহা বলেন, খুব শিগগির এ সব অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।